হজের মোট খরচ বর্তমানে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত নামিয়ে আনার সম্ভবনা প্রকাশ করেছেন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার। তিনি বলেন, এই খরচ কমানোর জন্য আরও কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। তবে এর জন্য দ্রুত বিমান টিকিটের দাম কমতে হবে এবং মোয়াল্লেম চুক্তি, ঘরভাড়া, ট্রান্সপোর্ট চুক্তিসহ অন্যান্য কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
শনিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর আশকোলনার হাজি ক্যাম্পে হজ যাত্রার প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি আলোচনায় এ সব কথা বলেন তিনি। হাব সভাপতি আরও বলেন, ২০২৭ সালে হজের বিমানের টিকিটের দাম কমে এক লাখে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাহলে হজের মোট খরচও ন্যূনতম পর্যায়ে আনা সম্ভব হবে।
এ সময় হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার উল্লেখ করেন, সব সংকটের মাঝেও মন্ত্রণালয়, হজ অফিস ও হাবের সহযোগিতায় এবারের হজের ব্যবস্থা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ে মোয়াল্লেম চুক্তি, বাসা ভাড়ার চুক্তি, ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা ও তাঁবু নির্বাচনসহ সব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হজের প্রথম ফ্লাইট (বিজি ৩০০১) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীদের মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ও ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হজ শেষে, ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং ৩০ জুনের মধ্যে সব ফিরতি ফ্লাইট শেষ হয়ে ঢাকায় ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

