ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। জুলাই–আগস্টের আন্দোলনের আগ থেকেই তিনি ওখানে অবস্থান করছেন। সরকারের পতনের পরে মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তা পূরণ হয়নি।
আমেরিকায় থাকা অবস্থায় জায়েদ বিভিন্ন স্টেজ শো ও অন্যান্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় দেখা গেছে — নায়কের একটি স্ক্রিনশটে দেখা গেছে তিনি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে রয়েছেন।
এই সাক্ষাৎকার কিংবা শেয়ার করা ছবিটি আসলে তাদের নতুন শর্টফিল্মের কাজের অংশ। ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস’ শিরোনামের ওই শর্টফিল্মে একসঙ্গে দেখা যাবে জোহরান মামদানি ও জায়েদকে। প্রবাসীদের সুখ–দুঃখকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিরিজটির প্রথম এপিসোড গত মার্চে প্রকাশিত হয়েছে এবং শিগগিরই দ্বিতীয় এপিসোড আসবে।
জায়েদ বলেন, “জোহরান মামদানি সরাসরি আমার সঙ্গে এই শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। গল্পটি প্রবাসীদের জীবন নিয়ে; তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পেরে কেবল আমি নিজে গর্বিত নই, এটাও মনে করি— এটি লাল সবুজের বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়।”
মেয়রকে প্রজেক্টে জড়ানোর প্রেক্ষাপট জানিয়ে জায়েদ বলেন, “এই সংযোগটা হয়েছে এখানকার ঠিকানার রুহিন হোসেন ও তার সহধর্মিণী আনুভা শাহীন হোসেনের কারণেই। তাঁরা মামদানিকে মেইল করে প্রজেক্টের বিবরণ পাঠান এবং আমার সম্পর্কিত তথ্য জানিয়ে দেন। কিছুদিন অপেক্ষার পর মেয়রের অফিস থেকে শুটিংয়ের তারিখ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী শুটিং করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “মেয়র একজন বিশ্বসাফল্যপ্রাপ্ত সেলিব্রিটি ব্যক্তিত্ব; তবুও শুটিংয়ের সময় তিনি পরিচালকের নির্দেশ মেনে বারবার অভিনয় করার চেষ্টা করেছেন। কাজটি করার পর মনে হয়েছে তিনি সত্যিই খুশি হয়েছেন।”
শর্টফিল্মের দ্বিতীয় এপিসোড আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ঠিকানার ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে। ছবিটির পরিচালনা করেছেন জন কবির ও সাদ আল আমীন।
