রাজধানীর নদ্দায় বুধবার ভোরে ভয়াবহ এক বাস দুর্ঘটনা ঘটে, যার შედეგად চারজন নিহত ও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। ইসলাম পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রোড ডিভাইডার ভেঙে বিপরীত লেনে থাকা আকাশ পরিবহনের একটি বাসকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলে রাস্তার অবস্থা ঝামেলাময় হয়ে যায়, এবং এ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুই বাসই। আহত যাত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি পটুয়াখালী থেকে বেপরোয়া গতিতে আসছিল। চালক ও সহকারী ছিল অস্বস্তিকর এবং পুরো রাস্তায় চিৎকার চেঁচামেচি চালিয়েছিলেন। চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে বাসটি রোড ডিভাইডার ভেঙে বিপরীত লেনে পৌঁছায় এবং সেখানে থাকা আকাশ পরিবহনের বাসের সঙ্গে ধাক্কা করে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, গুরত্বপূর্ণ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান, পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরো দুজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়। নিহতরা হলেন লাইজু বেগম (৩৮), স্বামী মো. কবির জোমাদ্দার (বাগেরহাট), কবির জমাদ্দার (৪৭), খুশি বেগম (৩৫) ও মো. রবিউল (২২)। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকাসহ আশপাশের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা। ধাক্কা খাওয়া বাস দুটিকে রাস্তার থেকে সরিয়ে যথাযথ যান চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য কাজ শুরু হয়। তবে চুরি বা পালানোর জন্য বাসের চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছেন। এ ব্যাপারে ভাটারা থানার উপপরিদর্শক নেসার উদ্দিন জানান, বাস দুটির ক্ষতি হয়েছে ওপরে ক্ষতিগ্রস্ত বাসের মাধ্যমে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়।
অপরদিকে, এই দুর্ঘটনায় শঙ্কিত এলাকাবাসী এবং স্বজনরা শোক প্রকাশ করেছেন। এই দুর্ঘটনা আমাদের সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি আবারো আলোচনায় নিয়ে এসেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে।
