হাজারো মুসল্লির অংশগ্রহণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় এই জামাত শুরু হয়, যেখানে সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মো. মুজফতি রহমান ইমামতি করেন। মুকাব্বির ছিলেন Мসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক। নামাজের আগে মুফতি মো. মিজানুর রহমান মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন এবং ঈদের নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজের জন্য মুসল্লিরা ফজরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মসজিদে উপস্থিত হতে শুরু করেন, এবং নামাজ শুরুর আগেই পুরো মসজিদের মূল ভবন, চত্বর ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিতে ভরে যায়। প্রতি বছরের মতো, এ বছরও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন মোট পাঁচটি ঈদের জামাতে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় শুরু হবে, যেখানে ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক ড. মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান। মুকাব্বিরের দায়িত্বে থাকবেন মসজিদের চিফ খাদেম মো. নাসির উল্লাহ। তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়, যেখানে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ, এবং মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. রুহুল আমিন। চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় হবে, এতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন, এবং মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. আব্দুল হাদী। পঞ্চম ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০:৪৫ মিনিটে, যেখানে ইমাম হিসেবে থাকবেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী, এবং মুকাব্বির থাকবেন মো. আমির হোসেন। যদি কোনো জামাতে ইমাম অনুপস্থিত থাকেন, তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, পাশাপাশি মো. শামসুল হক প্রস্তুত থাকবেন বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে।

