বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেই দিন দুর্ভাগ্যগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুজ্জামান ও অন্যান্য স্থানীয় নেতারা। শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়, যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির হাতে সরাসরি বস্ত্র ও খাবার তুলে দেওয়া হয়। এ দিনটির মাধ্যমে গরীব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি শুরু হয়। এর আগের দিন, তারেক রহমান বাবা শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ করেন। উল্লেখ্য, এ উপলক্ষে ঢাকায় উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি বিভিন্ন স্থানে এই কর্মসূচি চালায়, যেখানে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শ্যামলী স্কয়ার, সরকারি বাংলা কলেজ এলাকা, পল্লবী মেট্রো স্টেশন, ফুজি ট্রেড সেন্টার, জোড়পুকুর খেলার মাঠসহ নগরের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, বিকেল সময়ে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পাঁচটি অঙ্গসংগঠন ও এক সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচিও সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগটি দেশের দরিদ্র ও অসহায় জনগণের জন্য এক মহৎ উপহার বলে মনে করা হচ্ছে।