মৌসুমি বায়ু দেশের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে টানা পাঁচদিন ধরে দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মিলছে। এর পাশাপাশি মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও দেখাচ্ছে আবহাওয়া অধিদফতর।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ৯টা থেকে শুরু করে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের জানানো মতে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে পৌঁছেছে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এটি দেশের অন্য অংশেও বিস্তার লাভ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় দমকা হাওয়া, برقচমক সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সময়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বর্ষণ আরও তীব্র হতে পারে। সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্মখীন হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টা থেকে আবারও ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অংশে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে আরেকবার বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে তবে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (১৩ জুন) এর পূর্বাভাসে দেখা গেছে, দেশের বেশ কয়েকটি বিভাগে আবারো হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ এবং দমকা হাওয়ার সতর্কতা থাকছে। সম্ভাব্য ভারী বর্ষণে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ও পরের দিনগুলোয়ও একই রকম আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছে, দেশের নানা অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বর্ষণের প্রবণতা বিদ্যমান। দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পঞ্চদিনের এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া সংস্থা। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন দিকে নজর রাখতে নির্দেশ দিয়েছে।

