আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকায় আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন এলাকার ওপর হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে এবং সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত এ ধরনের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া এই পূর্বাভাস দিয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গা এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-একটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা বেশি। সারাদেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার মুখে আছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি প্রায় একই রকম—রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-একটি স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সুযোগ রয়েছে। ওই সময়ের জন্য দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-একটি স্থানে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা অব্যাহত থাকতে পারে। ওই দিন সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের ধারা আরও বাড়তে পারে। ফলে জলাবদ্ধতা, গুঁড়ো বাতাস বা লো-উইন্ড পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় সতর্কতা মনোযোগী হওয়া উচিত। লোকজনকে অনুরোধ করা হচ্ছে, ঝড়-বৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে থাকার ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজনমতো যাত্রী ও কৃষি কার্যক্রমে সাবধানতা অবলম্বন করা।