রাজধানীর কাঁটাবনে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, এতে দুজনের মৃত্যু হয়। রাতের আধারে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যখন কেউই আশেপাশে ছিলেন না। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনের ধোঁয়ায় দগ্ধ হয়ে মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুনে পুড়ে ভিতর থেকে ধোঁয়ায় প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে উদ্ধার অভিযান চালায়। রাত ৩টা ৮ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলে, আহত দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকামেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। ঘটনার পরপরই তারা মারা যান।
রাতের এই ঘটনার সময়, এলিফ্যান্ট রোডের কাঁটাবন আল বারাকা টাওয়ারের ১০তলা ও ১১তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। আহতরা জানিয়েছেন, আগুনের কারণে তারা গুরুতর দগ্ধ হয়েছিলেন। শাহজালাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী বা দুজনের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আবদুস সালামের বাড়ি বগুড়ার কাহালু থানার বড় ভাদাহা দিয়ে, যেখান থেকে তিনি তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে আসছিলেন। অন্যদিকে, জনি কিশোরগঞ্জের বাবুন্দিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে, বর্তমানে আল বারাকা টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়মিত পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ দুটির দেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পর আহত দুজনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জনিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটিতে এবং আবদুস সালামকে ঢাকামেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। তবে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এই দুর্ঘটনার জন্য কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে এবং আগুনের কারণ জানার জন্য কাঠামো পরীক্ষা চলছে।

