স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকার চোরাচালান ও মানব পাচারে জড়িত সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি নতুন আইন কার্যকর করেছে। তিনি বলেন, অপরাধীদের শৃঙ্খল পরিবর্তনশীল কৌশল মোকাবিলা করতে প্রণীত এই আইন দেশের আইনপ্রণেতা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছে। এ আইনের মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করা হলো, যা এসব গুরুতর অপরাধ দমন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত জাতীয় আইন সচেতনতা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। এই সভা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এই শক্তিশালী আইনের মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সঙ্গে থাকছে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য স্থাপন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ। এই আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সহযোগিতা অপরিহার্য।
সুলুকের মাধ্যমে তিনি বলেন, নতুন এই আইনের সংস্কার ও প্রণয়নের প্রক্রিয়া বেশ সময়োপযোগী এবং এটি দেশের আন্তঃদেশীয় নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংরক্ষণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই আইনটি তদন্ত, বিচার ও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের পথে এক নতুন ধাপ হিসেবে কাজ করবে।
প্রসঙ্গত, এই সভায় বিচার বিভাগ, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিসহ বেশ কিছু দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যারা এ সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক বিস্তারিত আলোচনা করেন।

