অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ডিআইজি এ কে এম আহসানউল্লাহসহ তিন পুলিশ অফিসারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত দলের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি সারদা পুলিশ একাডেমি থেকে পালিয়ে যান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই তথ্য জানা যায় এবং এসব প্রজ্ঞাপনে সই করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমির ডিআইজি এ কে এম আহসানউল্লাহ বছরের ২৯ অক্টোবর ২০২৫ থেকে তার ব্যক্তিগত কিংবা অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়নের’ অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ওই তারিখ থেকেই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
অন্য প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা ৭ মার্চ ২০২৫ থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তার বিরুদ্ধেও ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়নের’ অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এবং একই তারিখ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এছাড়া, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার ফারহানা তাসকিন ২৮ মার্চ ২০১৮ থেকে নির্বাহী সিদ্ধান্তের বাইরে থাকায় তার বিরুদ্ধে ‘পলায়নের’ অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু হয়। তাকেও সেই দিন থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখখাস্তের সময় তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী এই বরখাস্তের আদেশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়েও তারা বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।

