পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আজ পালিত হচ্ছে। হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবার এই দিনটি বিশেষ গুরুত্ব নিয়ে পালন করা হয়। এই দিনটি মূলত রসুলুল্লাহ সত্তল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুস্থতা থেকে সুস্থতা লাভের স্মৃতিতে উদ্যাপন করা হয়। পরিবার ও মুসলমানরা এই দিনটি উপলক্ষে দান-সদকা ও নফল ইবাদত করেন। অনেক মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিনটি ব্যাপক মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দিন রসুলুল্লাহ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছিলেন এবং মুসলমানরা শান্তি ও সুখের জন্য প্রার্থনা করে থাকেন। কিছু দেশে দান-সদকা, প্রার্থনা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হয়।
বাংলাদেশে এ দিবসটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ভাবে এটিকে বার্ষিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে এটি আনুষ্ঠানিক ছুটি হিসেবে নয়, একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে দেশের অনেক এলাকাতে এ দিনটি বিশেষ মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আখেরি চাহার সোম্বার দিন বন্ধ রাখা হয়। এবছর, ১২ আগস্ট, বুধবার, দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস থেকেও জানানো হয়েছে, এই দিন দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মধ্যে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১২ আগস্ট বুধবার পবিত্র এই দিনটির কারণে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। চলতি সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে আবার স্বাভাবিকভাবে ক্লাস চলবে। সাধারণ মুসলমানরা এই দিনটি ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য, উৎসাহ ও পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে পালন করেন, যেন তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে সুখ, শান্তি ও কল্যাণ বজায় থাকে।

