কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১৫ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক মঞ্জুল হাসান (২৬) কে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় তিনি উপজেলার গৌরীপুরের কাশিফুল উলুম মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন। ভুক্তভোগী ছাত্রও ওই মাদ্রাসার ছাত্র। পুলিশ ও পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই রাতে ওই ছাত্রটি মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। তখন মঞ্জুল হাসান ধীরে ধীরে তাকে তার নিজ কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে অস্রুতভাবে ছাত্রকে বলাৎকার করেন। ঘটনার পর যদি কেউ এ বিষয়ে জানাতে চান, তাহলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসন ও পরিবারের ভাষ্য, এই ঘটনা জানার পর থেকে ছাত্রটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। পরিবারের কাছে গোপন রেখে দেয়, কিন্তু গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যখন সে মাদ্রাসায় আত্মহত্যার চেষ্টা করে, তখন একে জানা যায়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারেন ও পুলিশকে জানান।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরেই মানসিকভাবে অস্থিতিশীল ছিল। ঘটনার পরে ভয়ের কারণে সে কাউকে কিছু বলতে পারেনি। আত্মহত্যার প্রকৃতির সময় সে তার পরিবারের কাছে সব কিছু খুলে বলে। এরপরই তারা পুলিশে অভিযোগ করেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সামছুল আলম জানান, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

