দেশের ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ন্ত্রণ করে নতুন একটি গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই গেজেটের মাধ্যমে এসব আসনের মধ্যে নতুন গঠিত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ জোড়দার করা হয়েছে। তবে সূত্র জানাচ্ছে, কাগজে কলমে সীমানা পরিবর্তন হলেও বাস্তবে কোনও বড় পরিবর্তন আসবে না বলে জানানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। রোববার প্রকাশিত এই গেজেট অনুযায়ী, এই আসনগুলো হলো ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষীপুর-২ ও ৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১। আবেদন অনুসারে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া আসন হচ্ছে ঠাকুরগাঁও-১। এই আসনটি গঠিত হয়েছে তার নিজ জেলার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা থেকে, যেখানে রুহিয়া ও ভুলনী উপজেলা নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদর উপজেলা ভেঙে দুটি নতুন উপজেলা গঠিত হওয়ায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত মে মহামারির মাসে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এই অনুমোদন দেয়। অন্যদিকে, বগুড়ার ২ নম্বর আসনে শিবগঞ্জের পাশাপাশি মোকামতলা উপজেলাকেও যুক্ত করা হয়েছে। এই মোকামতলা উপজেলা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে মে মাসে অনুমোদন লাভ করে। ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁও উপজেলার সঙ্গে নতুন গঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই মাসে নিকার অনুমোদন পায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের মধ্যে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন পরিষদ যুক্ত করা হয়েছে। এই ইউনিয়নটি বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন গঠিত হয়েছে। এছাড়াও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয় গ্রাম আলাদা করে আখাউড়ার সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যার জন্য নতুন বরিশাল ইউনিয়ন গঠিত হয় এবং মে মাসে অনুমোদিত হয়। কুমিল্লার ৩ নম্বর আসনে মুরাদনগর উপজেলার সঙ্গে নতুনভাবে বাঙ্গরা উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে এবং এই নতুন উপজেলা জুলাই মাসে অনুমোদিত হয়। চট্টগ্রাম-২ আসনে ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যুক্ত করা হয়। একইভাবে, কক্সবাজার-১ আসনে নতুন গঠিত মাতারমুহুরি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

