বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থার চার কমিশনার আজ (০৪ জুন) সকালেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এ তথ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক নিশ্চিত করেছেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তারা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারী চার কমিশনার হলেন মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
জানা গেছে, আজই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং দ্রুতই নতুন নিয়োগ দেয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বিএসইসির পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের একটি বার্তাও প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তিনি পদত্যাগের কারণ ও তাঁর দায়িত্বকালীন পরিচালিত কাজগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২১ মাস আগে অস্থির সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে আইনি কাঠামো গঠন ও বাজার শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়েছিল।
তাঁর নেতৃত্বে সংস্থা অল্প সময়ের মধ্যে পাঁচটি বিধিমালা গেজেটে প্রকাশ করেছে। এছাড়া করপোরেট গভর্ন্যান্স, নিরীক্ষা ও করপোরেট পুনর্গঠন সংক্রান্ত তিনটি খসড়া বিধিমালা/নির্দেশিকা জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিএসইসি দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের—বিএসইসি আইন ও ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড—খসড়াও প্রস্তুত করেছে।
রাশেদ মাকসুদ আরও বলেন, বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আনতে বিধিবিধান প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, সব ধরনের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের সুযোগ কমিয়ে দিয়ে বাজার, মধ্যস্থতাকারী ও ইস্যুকারীদের নিয়মের মধ্যে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিতভাবে অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে।