বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, এমন একটি দেশ তিনি দেখতে চান যেখানে প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো দুই বেলা পেটে ভরে খাবার খেতে পারবে, সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করবে। তিনি মনে করেন, এই দেশ শিক্ষিত যুবক এবং নারীর জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বিশ্বে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করব। তিনি বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে। দেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মহান স্রষ্টা আল্লাহর কাছে তাঁর জন্য কৃতজ্ঞ, আর দেশের মানুষের কাছে যারা দীর্ঘ সংগঠনে পাশে ছিলেন। তিনি বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যার নেতৃত্বে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, অনেক কিছু তিনি মিস করবেন। সবশেষে, তিনি দেশবাসীর জন্য শুভকামনা জানান, সুস্থে থাকুন, সবার জন্য কল্যাণ কামনা করেন। তার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা, যাঁর জন্য তার মন কাঁদে। তাকে তিনি মহিয়সী নেত্রী এবং স্নেহের বন্ধুর মতো মনে করেন।
শিক্ষা জীবন শুরু করেন ছাত্র রাজনীতি থেকে, বাম ধারার রাজনীতিচর্চায়। পরে ভাসানী ন্যাপের মাধ্যমে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে আসেন, এরপর যোগ দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপিতে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পান, যা শুরুর সময়ে তাকে গ্রহণ করেন নেত্রীর নির্দেশে। ২০০১ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি খালেদা জিয়া সরকারের মন্ত্রিসভার একজন সদস্য ছিলেন, এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

