ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় ভোটের সরঞ্জামাদি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তাদের একটি দল বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ইসি ভবন থেকে সংসদ ভবনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী—যেখানে ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্স সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক উপকরণ রয়েছে—সেখানে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। এর মাধ্যমে তারা নিশ্চিত করতে চান যে, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর সব কিছু যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও সরঞ্জামাদি ব্যবহারের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হবে। এরপর ভোট গ্রহণ শেষ হলে, এই সামগ্রীগুলো আবার নির্বাচন ভবনে ফিরিয়ে নিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে, যেমন গেজেট প্রকাশ ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কিছুক্ষণ পর সংসদে উপস্থিত থাকবেন। এই উপনির্বাচন পরিচালনায় সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সহযোগিতার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এই কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে—ইসি সচিব আখতার আহমেদ, যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান, উপসচিব রাশেদুল ইসলাম, পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন, উপসচিব মুনীর হোসাইন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম, সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব মোখলেছুর রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব এ টি এম শামীম মাহমুদ ও সৈয়দ আফজাল আহাম্মেদ, অন্যদিকে মো. রশিদ মিয়া, একান্ত সচিব এএসএম জাকির হোসেন, এসএম হাবিবুর রহমান, মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, আসমা দিলারা জান্নাত, রৌশন আরা বেগম, আফাত আরা ও এ এস এম ইকবাল হাসান রয়েছেন। পাশাপাশি, জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
গত ২৪ জুলাই, ২০২২ সালে রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায়, ৬ আগস্ট ইসি_shfd শূন্য হয়ে পড়া পদে নতুন ভোটের তফসিল ঘোষণা করে। এই নির্বাচনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থী হিসেবে থাকছেন, এছাড়া ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদও অংশ নিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ চলবে দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

